Quantcast
  • শুক্রবার, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ক্যারিয়ারের দুঃসময়ে সঙ্গীর পাশে থাকুন


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ২০:৫০, জানুয়ারি ১৫, ২০২১
 
 
 
 

 
করোনা পরিস্থিতিতে বর্তমান চাররির বাজারের বেহাল ধশা। বিশ্বব্যাপী বেকারত হয়ে পড়েছে লক্ষ লক্ষ তরুণ। যাদের চাকরি আছে তারাও রয়েছেন নানা সমস্যায়। হঠাৎ চাকরি হারানোর কারণে পরিবারেও অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে, আপনার সঙ্গী এ নিয়ে নানা সংকটে ভুগতেই পারে। এমতাবস্থায় হাল ছেড়ে না দিয়ে সঙ্গীর পাশে থেকে আপনার অনেক কিছুই করার আছে।ভারতের বিখ্যাত ফ্যাশন ও জীবনধারাবিষয়ক সাময়িকী ফেমিনার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানেরই খারাপ অবস্থা যেতে পারে। এমনও হতে পারে আপনার সঙ্গীর চাকরি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, বা এরই মধ্যে চাকরি হারিয়েছে। কিংবা এমনো হতে পারে, সে আর চাকরিটা করতে চায় না, তার লক্ষ্য আরো বড়। সে যা-ই হোক, এ সময় তার ভেতর হতাশা ভর করতে পারে। তাই সঙ্গীকে দোষারোপ করা চলবে না। ক্যারিয়ার ক্রাইসিসে যে কেউ ভুগতে পারে। এ সময় সঙ্গীর পাশে থাকুন। বাড়িয়ে দিন কোমল হাত।

শান্ত থাকুন:
এ সময় দয়া করে প্যানিক বাটনে চাপ দেবেন না। সঙ্গীর পাশে থাকুন। তাকে নিয়ে যত নেতিবাচক চিন্তা মাথায় গিজগিজ করছে, তা ঝেড়ে ফেলুন। এ সময় সুশ্রোতা হোন এবং কীভাবে এ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানো যায়, তা নিয়ে সহৃদয়ে আলোচনা করুন।

মৌন থাকুন:

এটা ব্যক্তিগত সংকট। তাই বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের লোকজনকে এসব নিয়ে কথা না বলাই ভালো। পরিবার থেকে দূরে রাখুন কাজের স্থান। আপনি যদি এসব বিষয়ে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে আপনার সঙ্গী বিব্রত হতে পারে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সঙ্গীকে সাহায্য করুন।
একসঙ্গে চাকরি খুঁজুন:

সঙ্গীকে এ ব্যাপারটা বুঝতে দিন যে সে আর একা নয়। আপনিও তার পাশে আছেন। তার প্রতি পদক্ষেপে যথাসাধ্য সাহায্য করার চেষ্টা করুন। হতে পারে সেটা তার জীবনবৃত্তান্ত গোছাতে, কিংবা আপনার যদি জব নেটওয়ার্ক থাকে, সেখানে কড়া নাড়তে। সঙ্গীর কাছ থেকে এটাও জানতে চাইতে পারেন, ভালো চাকরির জন্য তার কোনো প্রফেশনাল ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে কি না। অর্থাৎ যেভাবেই হোক, সঙ্গীর পাশে থাকুন।

আর্থিক দিকটাও দেখুন:
ক্যারিয়ারের কোনো সংকট এলে সেটা শান্তভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করুন। শুধু মানসিকভাবে নয়, আর্থিকভাবেও সঙ্গীকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। জীবন দুজনের, তাই আর্থিক দিকটাও দুজন মিলে সামলান। এ সময় বিলাসদ্রব্য কেনাকাটা পরিহার করতে পারেন। বাইরে খাওয়া-দাওয়া, শপিং কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আগে যেভাবে খরচ করতেন, সেটা কমিয়ে আনতে পারেন। অর্থাৎ লাইফস্টাইলে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই কিন্তু পরিস্থিতি উত্তরণে সহায়ক হবে। সুসময় এলে তো এ অবস্থা থাকবে না, তাই না?