Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ০৯ জুলাই ২০২০

আট টেস্ট হারানোর হতাশা ক্রিকেটারদের


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১৮:৩৩, জুন ২৭, ২০২০
 
 
 
 


পাঁচ-ছয়টি টেস্ট খেলে বাংলাদেশ দলের বছর পার হয়ে যায়। ২০২০ সালে দশটি টেস্ট খেলার কথা ছিল মুমিনুলদের। সেখানে খেলা হয়েছে জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র একটি করে টেস্ট। একের পর এক সিরিজ বাতিল হওয়ার পর বাংলাদেশের সূচিতে এ বছর আর কোনো টেস্ট ম্যাচ নেই।টেস্ট ক্রিকেটে দুই দশক পূর্তির বছরে বাকিটা সময় হতাশাতেই কাটাতে হবে তামিম-মুশফিকদের। শুক্রবার বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার দুই দশক পূর্ণ হয়েছে। ২০০০ সালের ২৬ জুন ইংল্যান্ডের লর্ডসে আইসিসির সভায় বাংলাদেশকে টেস্ট মর্যাদা দেয়া হয়। ২০ বছরে বাংলাদেশ খেলেছে মাত্র ১১৯টি টেস্ট। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশও রয়েছে সেই গোড়াতেই। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন বছরে করোনাভাইরাসের কারণে আরও বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। ফেব্রুয়ারিতে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে কাক্সিক্ষত জয় পেলেও পাকিস্তান সফরে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। করোনাভাইরাসের প্রভাবে সারা বিশ্বের ক্রিকেট বন্ধ হয়ে আছে। বাংলাদেশও এরই মধ্যে পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজ স্থগিত করেছে। এরমধ্যে আটটি টেস্ট ম্যাচ ছিল।

এতবেশি টেস্ট হারানোর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করে দারুণ ছন্দে ছিলেন। দেশসেরা এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘বেশ ছন্দে ছিলাম। ডাবল সেঞ্চুরি করেছি। এ বছর অনেক টেস্ট ছিল, নিজেও আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। বছরটা ভালো যাবে আশা করেছিলাম। করোনাভাইরাসের কারণে কিছুই হল না। তবে এখানে তো কারও হাত নেই।’নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছিলেন মুমিনুল হকও। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে গুছিয়েও নিয়েছেন। ব্যাটসম্যান হিসেবেও দেখানোর অনেক হিসাব-নিকাশ ছিল। করোনাভাইরাসের কারণে সবাই ঘরবন্দি। সিরিজ একের পর এক স্থগিত হচ্ছে। মুমিনুলও ধারণা করছেন ক্রিকেটারদের ওপর কিছুটা চাপ পড়বে। আর এই সময়ে মানসিকভাবে শক্ত থাকাই বড় কিছু। এই বাঁ-হাতি ব্যাটসমান বলেন, ‘আমরা যারা নিয়মিত টেস্ট খেলি তাদের জন্য এই বছরটা বড় সুযোগ ছিল। এত টেস্ট হারানোর হতাশা তো আছেই।’তিনি বলেন, ‘জীবনের চেয়ে বড় কিছু নয়। খারাপ লাগছে, ক্রিকেটও মিস করছি। কিন্তু এর কোনো কিছুই তো আমাদের হাতে নেই। এই সময়ে মানসিকভাবে শক্ত থাকাই বড় কিছু। সবার সঙ্গে এ বিষয়ে আমি আলোচনাও করেছি।’এদিকে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম, দুই ডান-হাতি পেসার আবু জায়েদ রাহি ও ইবাদত হোসেনও টেস্ট নির্ভরশীল। যদিও সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে তাইজুলের সব ফরম্যাটে খেলে যাওয়ার ভালো সুযোগ ছিল। টেস্ট হারানোর আফসোস ছুঁয়েছে তাইজুলকেও। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় আবু জায়েদ ও ইবাদতদের হতাশাও বেড়েছে।