Quantcast
  • রবিবার, ১৬ কার্তিক ১৪২৭, ৩১ অক্টোবর ২০২০

লেভানদোভস্কির স্বপ্নপূরণ


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ০৭:২২, অগাস্ট ২৪, ২০২০
 
 
 
 


পোল্যান্ড ও জার্মানির ঘরোয়া লিগে এ পর্যন্ত জিতেছেন ৯টি শিরোপা। এর মধ্যে বায়ার্নের হয়েই পেয়েছেন ছয়টি বুন্দেসলিগা শিরোপার স্বাদ।তবে শুধু বাদ ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা। সেটাও পেয়ে গেলেন অবশেষে। পূরণ হলো দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। নিজেকে সুখী স্ট্রাইকার ভাবতেই পারেন এখন রবার্তো লেভানদোভস্কি।রোববার রাতে লিসবনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। একমাত্র গোলটি করেন কিংসলে কোম্যান। ফাইনালের মঞ্চে গোলেরদেখা পাননি আসরের চমক দেখানো স্ট্রাইকার লেভানদোভস্কি। আফসোস থাকতেই পারে তা নিয়ে। তবে ট্রফি জয়ের স্বাদে সে আফসোস উবে গেছে, এটা অনুমিত।গেল মৌসুমটা দুর্দান্তই কাটল লেভানদোভস্কির। পাঁচ শীর্ষ লিগ মিলিয়ে একমাত্র ফুটবলার হিসেবে মৌসুমে করেছেন পঞ্চাশের বেশি গোল (৫৫)।চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ ১৫ গোল। আর মাত্র দুটি গোল করতে পারলে স্পর্শ করতে পারতেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডকে। কিন্তু ফাইনালের গোল খরায় তা আর হয়নি।চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব থেকেই চমক দেখানো শুরু করেন লেভানদোভস্কি।গ্রুপ পর্বেই করেছেন ১০ গোল। রেড স্টার বেলগ্রেডের মাঠে প্রথম লেগে দলের ৬-০ ব্যবধানের জয়ে হ্যাটট্রিকসহ উপহার দেন চার গোল।নক আউট পর্বে আসে আরো ৫টি গোল।ফাইনালের আগে এই আসরে লক্ষ্যে রাখা ২৯টি শটের ১৫টিতেই ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন লেভানদোভস্কি।পোস্ট বা ক্রসবারে লেগে ব্যর্থ হয়নি তার কোনো শট।অথচ ফাইনালেই দেখা মিলল পোস্টে লেগে বল ফেরত আসার ঘটনা। যা ভেবে হতাশই হতে পারে লেভানদোভস্কির ভক্তরা।

বায়ার্নের হয়ে ফাইনালে সম্ভাবনাময় প্রথম আক্রমণ শানিয়েছিলেন লেভাই। আর সেটা ২১ মিনিটে। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। বুলেট গতির লেভানদোভস্কির শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। ইঞ্চি দুয়েকের হেরফের হলেই বল জড়াতো জালে। নাভাস ঝাঁপিয়ে পড়লে তা নাগালে আসতো না।এর দশ মিনিট পর দারুণ একটা হেডের সুযোগ পেয়েছিলেন লেভানদোভস্কি। ডান প্রান্ত থেকে উড়ে আসা ক্রসে হেড করেন তিনি। কিন্তু হেডটি যথেষ্ট কৌশলী ছিল না। বল সোজা চলে যায় গোলরক্ষক নাভাসের দিকে। পাঞ্চ করে ক্লিয়ার করেন তিনি। ৮২মিনিটেও দারুণ একটা শট নিয়েছিলেন। তবে এবার লেভানদোভস্কির শট চলে যায় পোস্টের বেশ বাইরে দিয়ে।ফাইনালে গোল পাননি ৩২ বছর বয়সী লেভানদোস্কি, তবে দল জিতেছে। ইউরোপ সেরার তকমা সেঁটেছে বাভারিয়ানদের গায়ে। আর সেই জয়ী দলের উজ্জ্বলতম তারকা তো লেভানদোভস্কিই। যার স্বপ্নপূরণ হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ট্রফিতে চুমু এঁকে।