Quantcast
  • সোমবার, ২২ আষাঢ় ১৪২৭, ০৬ জুলাই ২০২০

ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার কেনার অস্বাভাবিক ঝোঁক


বিডিনিউজ | আপডেট: ১১:৪৩, মে ১৭, ২০২০
 
 
 
 


লভ্যাংশ নেই, নিয়মিত লোকসানে রয়েছে ও শেয়ারের দরবৃদ্ধি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে- এমন কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের অস্বাভাবিক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এমন তিনটি কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে বিক্রেতাশূন্য হয়ে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।

তিন কোম্পানি হলো- আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, বাংলাদেশ ওয়েলডিং ইলেক্ট্রোডস ও ইস্টার্ন কেবলস। এর মধ্যে প্রথম দুটি কোম্পানি জেড ক্যাটাগরির, শেষেরটি এ ক্যাটাগরির হলেও পিই রেশিওর হিসাবে বিনিয়োগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত।

তিনটি কোম্পানিরই মৌলভিত্তি ভাল নয়, এগুলোর সাম্প্রতিক কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্যও নেই। তারপরও যেভাবে শেয়ারের দর বাড়ছে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওয়ার সাইদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “লোভ আমাদেরকে তাড়িত করছে। যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম, যা হওয়ার কথা না তা হয়ে যাচ্ছে।

“হঠাত্ করেই ধস নামতে পারে অযৌক্তিক পর্যায়ে চলে যাওয়া এসব শেয়ারের দরে। এসব কোম্পানি যারা কিনেছেন, তারা যে কোনো সময় ক্ষতির মুখে পরবেন।”

ক্রমাগত লোকসানে থাকা আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ারের দাম গত কয়েক দিনে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। রোববার বেলা ১টার দিকে ৮ টাকা ১০ পয়সা দরে ব্যাংকটির ২ লাখ ৩১৯টি শেয়ার কেনার আবেদন থাকলেও বিক্রেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ক্রমাগত লোকসানে থাকা জেড ক্যাটাগরির কোম্পানি আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ারের দাম গত ৫২ সপ্তাহে ৩ টাকা ৯০ পয়সায় নেমেছিল। অথচ ১৩ নভেম্বর থেকে ৯ দিনে প্রায় ৫৯ শতাংশ বেড়ে শেয়ারটির দাম ৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৮ টাকা ১০ পয়সায় উঠেছে।

রোববারও লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম গতকালের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ (৭০ পয়সা) বেড়েছে।

ডিএসইর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল শেষে কোম্পানিটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ১৪ কোটি টাকা, যা গত বছর শেষে বেড়ে দাঁড়ায় ২৭ কোটি টাকা।

সর্বশেষ পাঁচ বছরে ২৪৪ কোটি টাকা লোকসান করেছে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানিটি লোকসান করেছে ২৮ কোটি টাকা। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪০ পয়সা।






এই বিভাগের আরো সংবাদ

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত