Quantcast
  • রবিবার, ৪ মাঘ ১৪২৭, ১৭ জানুয়ারি ২০২১

প্রেমের ফাঁদ


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১৮:৪৪, নভেম্বর ২২, ২০২০
 
 
 
 


বরগুনা জেলার আমতলী থানাধীন আমতলী মাজার রোড এলাকায় থেকে ২১ নভেম্বর বিকাল আনুমানিক চারটায় অভিযান পরিচালনা করে ভন্ড ধর্ষক কবিরাজ গ্রেফতার করে পটুয়াখালী র‌্যাব-৮। ভণ্ড কবিরাজ খুবই দুর্দান্ত ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক তার স্ত্রী ও সন্তান আছে, এইভাবে সে অনেক মেয়েদেও সর্বনাশ করে আসছে বলে জানা যায়।
ধর্ষকের মো. মনসুর শিকদার (২৮) হলদিয়া ইউনিয়নের কাঠালিয়া (কুলুরচর) গ্রামের আঃ রব শিকদার ছেলে। র‌্যাব ৮ ও এর তথ্যমতে, ভুক্তভোগীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার মায়ের অসুস্থতার কারণে ধৃত আসামী মোঃ মনসুর শিকদার তার মাকে কবিরাজী চিকিৎসা করতে গিয়ে তাদেরপরিবারের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। সেই সূত্রে আসামী জনৈক ভিক্টিমের সঙ্গে কৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ২৮ ফের্রুয়ারি তার মাকে দেখতে যাওয়ার পথে সাহেববাড়ী বাস স্ট্যান্ডে নামিলে আসামীর দেখা ও কথা হয়।আসামী কৌশলে ভুল বুঝাইয়া বিয়ের প্রলোভন দেখাইয়া ভন্ড কবিরাজের আত্মীয় বাড়ীতে নিয়ে দুই দিন রাখিয়া তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কয়েকদফায় ধর্ষন করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে নিয়ে আমতলীতে সোবহানের টিনসেড বাসা বেশ কিছুদিন আটক রাখিয়া তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারিরীক সম্পর্ক করে। এরপর তার বড় বোন তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
পরবর্তীতে গত ১৬ নভেম্বর একই পথে মাকে দেখতে যাওয়ায়র পথে সাহেববাড়ী বাস স্ট্যান্ডে নেমে অন্য গাড়ীতে উঠার অপেক্ষমান থাকায় ভন্ড মনসুর তাকে একই কায়দায় ভুল বুঝাইয়া পূর্বের ন্যায় সোবহানের বাসায় নিয়ে দুইদিন আটক রাখিয়া তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কৌশলে পালাইয়া চলে আসে এবং র‌্যাব পটুয়াখালীর সাহায্য প্রার্থনা করে। তদপ্রেক্ষিতে ঐ নারী ভিকটিম আইনগত সহায়তা চেয়ে র‌্যাব-৮, পটুয়াখালী ক্যাম্পের নিকট আবেদন করেন। পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত মোঃ মনসুর শিকদারকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মোঃ মনসুর সিকদার ঘটনার সঙ্গে নিজের সংস্লিষ্টতার বিষয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করে। এ ব্যাপারে ওই নারী ভিকটিমের বড় বোন বাদী হয়ে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীকে আমতলী থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।