Quantcast
  • শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪২৮, ১৭ এপ্রিল ২০২১

পরিচয় মিলেছে সাফারি পার্কের ভেতর উদ্ধার সেই লাশের, গ্রেপ্তার- ৩


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১২:১১, এপ্রিল ০৩, ২০২১
 
 
 
 


গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের অজ্ঞাত মৃতদেহের পরিচয় উদঘাটন এবং হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১।শুক্রবার (২ এপ্রিল) রাতে আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করে র‍্যাব।গত বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) র‌্যাব-১ স্পেশালাইজড কোম্পানী, গাজীপুর এর একটি দল ডিএমপি পল্লবীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।নিহত কবির হাসান (২২) রংপুরের মিঠাপুকুর থানার নয়াপাড়া এলাকার জাবিউল ইসলামের ছেলে। গ্রেপ্তার আসামিরা হলো, মাসুদুর রহমান (৩৭) ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার গালিমপুর এলাকার মোঃ রুস্তম আলীর ছেলে মাসুদুর রহমান (৩৭) ও জালালপুর গ্রামের মো.আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. আব্দুল হালিম (৩৬) এবং মোঃ লালটু মিয়া (৪১) যশোরের চৌগাছা থানার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে।র‍্যাব জানায়, গত সোমবার( ৩০ মার্চ) গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের দক্ষিণ-পূর্বদিকে ৪নং গেটের পাশে একটি অজ্ঞাত যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইতিমধ্যে এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি মামলা রুজু হয়। পরে র‍্যাব নিহত যুবকের পরিচয় উদঘাটনে র‌্যাবের অনসাইট আইডেনটিফিকেশন এন্ড ভেরিফিকেশন সিস্টেমের (ওআইভিএস) সহায়তায় ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কবির হোসেন হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন তথ্য যাচাই বাছাই করে র‌্যাবের আভিযানিক দল আরো জানতে পারে, গত ২৫ মার্চ ২০২১ তারিখ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের খংসারদি সেতুর নিচে অজ্ঞাত এক যুবকের মৃতদেহ পাওয়া যায়। সেই হত্যাকান্ডের সাথে উক্ত চক্রটি জড়িত রয়েছে বলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে র‌্যাব উক্ত অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় উদঘাটন করে।

নিহত ঐ ব্যাক্তির নাম মোঃ সাগর হোসেন (২৫) জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার নন্দইল হাটখোল এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। এই চক্রটি মানবপাচার, চাকুরী, প্রতারণা ও সুদের ব্যবসাসহ নানা রকম অবৈধ কার্যক্রমের সাথে জড়িত।

এসময় গ্রেপ্তারকৃতদের নিকট হতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, ২ টি গামছা, ৫ টি মোবাইল ফোন, ২ টি ল্যাপটপ, ১ টি ডেক্সটপ, নগদ ১১ হাজার ২শ ৩০ টাকা, বিভিন্ন ধরনের ভিজিটিং কার্ড, ১৫ টি বায়োডাটা, ফাকা স্ট্যাম্প এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের সিল এবং অফিস আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।