Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০

‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন ফজিলাতুন্নেছা’


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১৮:৫৬, অগাস্ট ০৮, ২০২০
 
 
 
 


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণীই ছিলেন না। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক সহযোদ্ধা।’শনিবার সকালে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নিজের বাসভবন থেকে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন । ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির দীর্ঘ মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে শুধু বাঙালির জাতির পিতা আর বাংলাদেশের স্রষ্টাই হননি, তিনি হয়ে উঠেছিলেন একজন বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রনায়ক। আর এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তারই সহধর্মিণী ও বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সহযোদ্ধা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।’

তিনি বলেন, বঙ্গমাতা বেগম মুজিবের সাথে বিশ্বের আরেক খ্যাতিমান নারী এলিনর রুজেভেল্টের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। এলিনর রুজেভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রে চারবার নির্বাচিত ও দীর্ঘকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রন্কলিন ডি রুজেভেল্টের স্ত্রী। বেগম মুজিব আর এলিনর রুজেভেল্ট দু’জনেই শৈশবে তাদের বাবা-মাকে হারিয়েছিলেন, দু’জনেই তাদের চাচাতো ভাইকে বিয়ে করেছিলেন আর দু’জনেই তাদের স্বামীর রাজনীতিতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে দু’জনের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব একটা রাষ্ট্রের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ অবদান রেখেছিল, আর এলিনর রুজেভেল্টের তা করা হয়নি।ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক অর্থাৎ ৭ মার্চের ভাষণের আগমূহুর্তে বঙ্গমাতাই জাতির পিতাকে চূড়ান্ত অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।’তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার আমৃত্যু সঙ্গী মহীয়সী নারী, দেশের স্বাধীনতাসহ সকল গৌরব অর্জনের  প্রেরণাদাত্রী বঙ্গমাতা মুজিব।