Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮, ০৬ মে ২০২১

টাঙ্গাইলে মার্কেটে এত ক্রেতা : স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত কেনাকাটা !


ইমরুল হাসান বাবু ,স্টাফ রিপোর্টার | আপডেট: ২০:০৭, মে ০৩, ২০২১
 
 
 
 


আসন্ন ঈদে মানুষের কেনাকাটা ও ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে বিধিনিষেধের মধ্যে মার্কেট ও বিপণিবিতান খুলে দিয়েছে সরকার । ঈদকে কেন্দ্র করে আপন জনদের জন্য জামা-কাপড় কিনতে প্রখর রোদ ও করোনা ভতিকে উপেক্ষা করে ক্রেতাদের ঢল নেমেছে টাঙ্গাইলে ।মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাত পর্যন্ত সর্বত্রই চলছে কেনাকাটার ধুম ।মানুষের ভিড়ে তিল ধারনের জায়গা নেই ।সোমবার ( ৩ই মে) টাঙ্গাইলের বাসাইল,ঘাটাইল , সফিপুর ,কালিহাতিসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ঘুরে দেখা যায় ,পুরো এলাকা জুরেই ক্রেতাদের  উপচে পড়া ভিড় । কোথাও নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই। টাঙ্গাইলের নিউ মার্কেট, ছবুর খা প্লাজা, আজিজ প্লাজা,হাবিবুর রহমান প্লাজাসহ বেশ কিছু মার্কেট ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের সরব উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছে কেনাকাটা । মূলত সকাল থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ক্রেতার সংখ্যা। প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো । ক্রেতাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যায় বেশি।


শিশুদের করোনা ঝুঁকি জেনেও মায়েরা সন্তানদের সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। এ দিকে মার্কেট কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেটে প্রবেশের কথা বললেও তা মানছে না কেউ। গাদাগাদি করে নারী ও শিশুরা মহা আনন্দে মার্কেট করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রায় বেশীর ভাগের মুখে মাস্ক থাকলেও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কেউ মানছেন না। তবে বিক্রেতাদের চেয়ে ক্রেতাদের স্বাস্থ্য বিধি না মানার প্রবণতাটাই বেশি লক্ষ্যণীয়। ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে জিনিসপত্র দেখছেন। অন্যদিকে বিক্রেতারাও হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা কিংবা জীবাণুনাশক স্প্রে করা কোনোটাই চোখে পড়েনি। এক কাস্টমার গেলে আরেক কাস্টমারকে কিভাবে দোকানে বসানো যায় তাই নিয়ে হাক ডাকে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন দোকানিরা। নেই সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই । শুধু মার্কেটে নয়, ফুটপাত,ফুটওভার ব্রিজ সবকিছুই মানুষে টইটম্বুর । আলামিন, নামের এক দোকানি বলেন, বেশিরভাগ ক্রেতাই থুতনিতে মাস্ক রেখে কথা বলে। কেউ আবার মাস্ক খুলে পকেটে রেখে দোকানে ঢুকে হাঁচি দেয়। না করি, শুনেনা। সচেতন করার চেষ্টা করি। কিন্তু তাদের মানাতে পারি না। তবে অনেকে আবার সচেতন। এদেরকে কিছু বলতে হয় না। এরা বরং উল্টো আমাদের সচেতন থাকতে বলে। সুমি আক্তার নামে এক গৃহিণী বলেন, অনেক দিন লকডাউনে ঘড় বন্দী ছিলাম কোথায়ও যেতে পারিনি। এছাড়াও অনেকদিন হলো বাচ্চার কেনাকাটা করিনা। তাই ভাবলাম বাসার কাছের মার্কেট থেকে বাচ্চার কিছু কেনা-কাটা করি। কিন্তু মার্কেটে এসে দেখি মহিলাদের অনেক ভিড়। যেই দোকানে যাই সেখানেই মহিলাদের ভিড়। এর মধ্যে অনেকের মুখেই মাস্ক নেই। এতো ভিড় আগে বুঝলে বাচ্চা নিয়ে মার্কেটে আসতাম না। জেলা সদর থেকে মুক্তা নামের এক চাকুরিজীবী মহিলা বলেন, একমাত্র ছেলে আরাফাত চৌধুরীর আবদারে মার্কেটে কেনা কাটা করতে আসি। এসে এমন গাদাগাদি দেখে খুব অসস্থিবোধ করছি।