Quantcast
  • বুধবার, ৬ কার্তিক ১৪২৭, ২১ অক্টোবর ২০২০

মেয়র নির্বাচিত হলে শ্রীপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও সমৃদ্ধ পৌরসভা হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার- ফরিদের


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ২৩:২৬, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০
 
 
 
 

 
একান্ত সাক্ষাৎকারে  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ  সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী এডভোকেট হারুন অর রশীদ (ফরিদ) বলেছেন  প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে শ্রীপুর পৌরসভাকে উন্নত , আধুনিক ও সমৃদ্ধ  পৌর সভা গড়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন ।  

প্রাথমিক পরিচিতি : আলহাজ্ব এডভোকেট  মোঃ হারুন অর রশীদ ফরিদ গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পশ্চিম খন্ড এলাকার   আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাদির মাস্টার  ছেলে।

# আপনি রাজনৈতিক অঙ্গনে কখন,কিভাবে প্রবেশ করেন :  ১৯৮৫ সালে শিক্ষা জীবনে অধ্যায়ণরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ছাত্র লীগ মাওনা চৌরাস্তা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ১৯৯২ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে সর্বোচচ ভোটে নির্বাচিত হন , একই বছরে শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সদস্য পদ লাভ করেন । পরবর্তীতে শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । এবং শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পর পর দুই বার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । ধানমন্ডি ল কলেজ থেকে এল্এল,বি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এম এ পাশ করে আইন পেশায় সম্পৃক্ত হয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী  হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন । ২০০১ সালে বিএনপি -জামায়াত ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগকে নিশ্চন্ন করার ষড়যন্ত্র হিসাবে তত্কালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী, বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ত্রিশলক্ষ শহীদ পরিবার ও স্বাধীনতার পক্ষের একমাত্র আশা আকাঙ্ক্ষার ভরাস্থল গনতন্ত্রের মানষ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ  জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা     মিথ্যা মামলার বিরূদ্ধে  সোচ্চার হয়ে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এডভোকেট সাহারা খাতুন, এডভোকেট মোঃ রহমত আলী, আব্দুল মতিন খসরু ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের  জুনিয়র আইনজীবী  হিসাবে আইনি লড়াই চালিয়ে যান তিনি । এরপর ১/১১এর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী  শেখ হাসিনাকে  কারারুদ্ধ করার পর যখন অনেক  সিনিয়র আইনজীবী ও নেতৃবৃন্দ জীবন শংকায় শংকিত হয়ে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে চলতেন তখন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক,  ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এডভোকেট মোঃ রহমত আলী সহ সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে জুনিয়র আইনজীবী  হিসাবে বহূ প্রতিকূল পরিবেশে আইনি লড়াই চালিয়ে যান । তদানিন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশেষ বাহীনির হুমকি ধামকি প্রাণ শংকা উপেক্ষা করে প্রাণপ্রিয় নেত্রীর মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য বিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে শেষ পযর্ন্ত সম্পৃক্ত থাকেন।

#আপনার দীঘ এ রানৈতিক জীবনে আপনি কিভাবে  জনগনের পাশে ছিলেন : এলাকার স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও  জন সেবামুলক কাজের মাধ্যমেই তিনি রাজনৈতিক জীবণ থেকে জনগনের পাশে রয়েছেন ।

# আপনি অন্য কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত আছে কি-না? :  এডভোকেট হারুন অর রশীদ ফরিদ ১৯৮৮ ইং  সাল থেকে যুগশিখা সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংঘের   শ্রীপুর উপজেলা শাখা প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । তাছাড়া কেওয়া পশ্চিম খন্ড  দারগার চালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটির সদস্য  ও পরে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । মাওনা চৌরাস্থায় অবস্থিত শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  বণমালা কিন্ডার গার্টেনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বতমানেও দায়িত্ব পালন করছেন । মাওনা চৌরাস্তার বণিক সমতিরি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । ২০০৯ সাল থেকে ঐতিহ্যবাহী মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে  আসছেন ।

# মানবিক কাজে অবদান :  ঐতিহ্যবাহী মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহনের পর  থেকে অদ্যাবধি পযন্ত এলকার অসহায় ও গরীব পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়াশোনা, বিভিন্ন ভাবে আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে মানবিক কাজের অসংখ্য উদাহরন তুলে ধরেন  তিনি ।

# সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান : শ্রীপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায় এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উচ্চ মাত্রায় পৌঁছানোর লক্ষে পিয়ার আলী বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য হিসাবে গুরু দায়িত্ব পালন করা কালে শিক্ষার গুনগত ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে ঐতিহ্য বাহী মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়ন অব্যাহত  রেখে চলেছেন।  । এছাড়াও এলাকার রাস্তা ঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্বেচ্ছসেবী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে চলেছেন। মাওনা বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথমেই নজর দেন স্কুলের কি কি সম্পদ ছিল। সেই সম্পদের কোনগুলো স্কুলের  দখলে ছিল আর কোনগুলো বেদখলে । বেদখল জমি  দখল করে  নামজারির পর সীমানা প্রাচীর তৈরি করেন । তাছাড়া মাওনা বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাওনা পল্লি বিদ্যুৎ মোড়  এলাকায়  ৭৮ শতাংশ জমি দীর্ঘ্ দিন বেদখলে থাকা জমি উদ্ধার করে স্কুলের দখলে আনতে কার্য্করী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন । তাছাড়া প্রশিক্ষা মোড়ে প্রায়  সাড়ে ৫২ শতাংশ বেদখ জমি ভূমি দস্যুদের নিকট থেকে উদ্ধার করে সীমানা প্রচীর নিমাণ করে স্কুলের দখলে আনেন তিনি । বতমানে ঐ স্থানে ১৪টি দোকান তৈরি করে ভাড়া দেওয়া হয়েছে । ভাড়া থেকে প্রাপ্ত টাকা স্কুল ফান্ডে জমা করা হচ্ছে । উক্ত টাকা দিয়ে স্কুলের সার্বিক উন্নয়ন কাজ করা হয় ।মুক্তিযোদ্ধে তাঁর পরিবারের বিশেষ অবদান :   এডভোকেট মোঃ হারুন অর রশীদ ফরিদের নানা আলমগীর বাদশাহ আকন্দ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন, মামা মোঃ নজরুল ইসলাম আকন্দ এবং ফুফা মোঃ আহাদ আলী মৃধা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সশস্ত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিশেষ অবদান রাখেন । মহান মুক্তিযুদ্ধে  শহীদের সংখ্যা নিয়ে ও স্বাধীনতাকে  বিব্রত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ায় শহীদ পরিবার ও জাতীর পক্ষ থেকে ষড়যন্ত্র কারী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহী মামলার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।

# যে কারনে মেয়র হতে চান ফরিদ : একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি মুক্তিযোদ্ধের চেতনায়  বিশ্বাসি হয়ে রাজনীতি শুরু করেন ।বিভিন্ন সামাজিক  প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্বেচ্ছসেবী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে চলেছেন।  এ সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ জনগণের আস্থার প্রতিক হিসাবে শ্রীপুর পৌরবাসী  উনাকে মেয়র হিসাবে দেখতে চায় । এলাকার জনসাধারণের সাথে একাত্ব হয়ে শিক্ষিত ও কর্মঠ এই ব্যাক্তিকে শ্রীপুর পৌরসভার সর্ব মহল থেকে মেয়র হিসাবে প্রত্যাশা  করে । ছাত্র রাজনীতি শেষে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও কেন্দীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম সাহেবের  হাত ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সহ-সম্পাদক হিসাবে রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন । এমন বনার্ঢ সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন বিবেচনায় সুধী মহল জনকল্যাণ কর যে কোন দায়িত্বে যোগ্য মনে করে শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র হিসাবে মোঃ হারুন অর রশীদ ফরিদ কে ।এডভোকেট মো: হারুন অর রশীদ ফরিদ সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখায় এলাকার জনগন শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চায়।