Quantcast
  • রবিবার, ১৬ কার্তিক ১৪২৭, ৩১ অক্টোবর ২০২০

শ্রীপুরে বরমীতে বসতবাড়ীতে পানি,দুর্ভোগে ৫০টি পরিবার


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১৭:১২, অক্টোবর ০৭, ২০২০
 
 
 
 


গাজীপুরের শ্রীপুর বরমী ইউনিয়নের ৭নং পাঠানটেক ও ১নং কোষাদিয়া গ্রামের ৫0টি পরিবার পানি বন্ধি রয়েছেন ২ বছর ধরে । বরমীর পাঠানটেক ও কোষাদিয়া গ্রামে বরমী-ঘোলাঘাট সংযোগ সড়কের উপর এলজিইডির নিমানাধীন কালর্ভাটটি বন্ধ করে দিয়েছে কোষাদিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসি শহিদুল্লার স্ত্রী বিলকিস আক্তার । এতে দুই গ্রামের প্রায় ৫০টি পরিবার পানি বন্ধি হয়ে জীবনযাপন করছেন । সামান্য বৃষ্টি হলেই বসত বাড়িতে পানি প্রবেশ করে এবং পাক ঘড়, টয়লেট পানির নিচে তলিয়ে গেছে । বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় ৭নং পাঠানটেক গ্রামের আব্দুল খালেক পাঠানের সাথে । তিনি জানান,বৃষ্টি হলেই পানি প্রবেশ করে বসত ঘরে। বসত ঘরে পানি প্রবেশ করায় বসবাসের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে । তাছাড়া ৪টি বসত ঘড় পানিতে ভেঙ্গে গেছে । এতে প্রায় ৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে ।

পাঠানটেক গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর পাঠান বলেন, বৃষ্টি হলেই পানি বাড়ে ।পানি বাড়ার সাথে সাথে গৃহে প্রবেশ করে । এতে গৃহে বসবাস করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে । দুই গ্রামের প্রায় ৩ হাজার লোকের বসবাস । পানি যাওয়ার কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বাড়ীর সামনে নীচু জমিতে জমে থাকা পানি বৃষ্টি বাড়ার সাথে সাথে গৃহে প্রবেশ করে । একমাত্র কালর্ভাটটিও বন্ধ থাকায় এখন পানি যাওয়ার সুযোগ নেই । তাই দুই গ্রামের ৫০টি পরিবার পানি বন্ধি হয়ে জীবণযাপন করছে । বতমানে পাক ঘড় ও টয়লেট পানির নিচে থাকায় তারা চরম কষ্টের মধ্যদিয়ে দিনাতিপাত করছেন ।

অপরদিকে ১নং কোষাদিয়া গ্রামের শাজাহানের স্ত্রী নিলুফা বলেন পানি যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকায়  সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরে পানি প্রবেশ করে । বতমানে টয়লেট ও পাকঘড় সহ  বেশ কয়েকটি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে । গৃহে পানি প্রবেশ করায় সাপের উপদ্রপ বেড়েই চলছে । একই গ্রামের আবুল হাসেম ও রফিকুল ইসলাম বলেন প্রায় ২ বছর ধরে এ সমস্যায় ভোগছি । কোনো জনপ্রতিনিধি খবর পেয়েও কখনো সমাধান করতে আসেনি । বর্ষাকালে প্রতি বছর এ সমস্যার  সৃষ্টি হয় ।

কোষাদিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসি শহিদুল্লার স্ত্রী বিলকিস আক্তার বলেন,আমরা জমি কিনে বাড়ি করেছি । তাঁদের একাধিক বার ডাকা হলেও সমাধানের জন্য ভোক্তভোগিরা কেউ এগিয়ে আসেনি ।

বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাদল সরকার বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শ্ন করেছি । আগামি দুই দিনের মধ্য এর সঠিক সমাধান করবো ।