Quantcast
  • রবিবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৭, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

শিরোনাম

শ্রীপুর পৌরসভার বংশী ঘাটা লবলং খালে বাঁশই এখন একমাত্র ভরসা


ইকবাল হোসাইন বিপুল | আপডেট: ২২:৩৭, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০
 
 
 
 


দেশের প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার মধ্যে একটি হচ্ছে  গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভা । প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হওয়া স্বত্বেও মাত্র কয়েকটি রাস্তা ছাড়া পেীরসভার সংযোগ সড়কগুলোতে  তেমন কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়নি দীঘ বিশ বছরেও এমন অভিযোগ রয়েছে পৌরবাসির । এখনো উন্নয়নের ছোয়া লাগেনী শ্রীপুর পৌরসভার ৭ ও ৯ নং ওয়ার্ডের বংশী ঘাটা বেড়াইদে বাইদ  লবলং খাল সংলগ্ন সংযোগ সড়কটিতে । পৌরসভার বহেরার চালা ও  বেড়াইদেবাইদেরনালাটিযেখানেএসেলবলংখালেরসাথেমিশছেসেইজায়গারনামহলবংশীঘাটা,আরএইবংশীঘাটারপাশদিয়েইবয়েগেছে৭নংওয়ার্ডবেড়াইদেরচালাও৯নংওয়ার্ডবহেরারচালাগ্রামেরশতাধিকবছরেরপুরাতন এ সংযোগ সড়কটি ।  এরাস্তাদিয়েইপ্রতিদিন স্থানীয় কলকারখানায় কর্ম্রত  হাজারহাজারশ্রমিক ও সাধারনমানুষচলাফেরাকরে।পৌরসভার এ  দুইগ্রামেরসংযোগস্থলেযেকালভার্টছিলসেটিওপানিরস্রোতেভেঙ্গেযাওয়ায়বেড়েযায়জন ভোগান্তি যা  গতএকযুগেরবেশিসময়েওদূর  হয়নি। স্থানীয়জনগণএখানেবাঁশদিয়েএকটিসাঁকোতৈরিকরেচলাফেরাকরছে। বর্ষাকালেসাঁকোটিওপানিরনিচেচলেযাওয়ায়মানুষেরভোগান্তিস্বচোখেনাদেখলেবুঝারকোনউপায়নেই। সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় কৃষক কামাল হোসেনের সাথে । তিনি বলেন ,আশপাশে প্রায় ৪ থেকে ৬টি কারখানা গড়ে উঠায় এ রাস্তায় দিয়ে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার শ্রমিক চলাচল করে । সামান্য বৃষ্টি হলেই কোমর পানি । বৃষ্টির সময় কোমর পানি অতিক্রম করে পারাপার হতে হয় হাজারও শ্রমিকসহ এলাকার সাধারণ মানুষের । এখনো   রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য কোনো উদ্যেগ নেওয়া হয়নি  । তাকওয়া কারখানার সাইট সেট সেম্বল অপারেটর সোহাগ বলেন বৃষ্টি হলে কোমর পানি বেঁধ করে   এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় । তাই আমাদের প্রাণের দাবি আগামি পৌর নির্বাচনের আগে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষ  উদ্যেগ গ্রহণ করে । ভীনট্রেক্র কারখানার টেকনিশিয়ান মোকলেছ বলেন , ২০০৮ সাল থেকে লবলং খালে পারশবর্তী কারখানা থেকে কাঁদাযুক্ত পানি  আসার কারনে খালটি ভরাট হয়ে গেছে । সামান্য বৃষ্টি হলে পানি উঠে ফসলি জমিতে । স্থানীয় প্রশাসনের সঠিক তদারকি না থাকায় এহেন অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে  । ঐ এলাকার স্কুল শিক্ষক আহসান  বলেন, স্থানীয় যুবকদের সহযোগিতায় একটি  সাঁকোনিমার্ণ্ করা হলেও এখনো কোনো কালর্ভাট নিমার্ণ্ করা হয়নি ।জনভোগান্তি কমানে এখানে একটি কালভার্ট্ জরুরী । তিনি আরো বলেন  আশাকরিসংশ্লিষ্টকর্তৃপক্ষএখানেএকটিব্রিজনির্মাণকরেমানুষেরভোগান্তিদূরকরবে।এ ব্যাপারে শ্রীপুর ৭নং ওয়ার্ড্ কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আমজাদহোসের সাথে বার বার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি ।