Quantcast
  • রবিবার, ১৬ কার্তিক ১৪২৭, ৩১ অক্টোবর ২০২০

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ২২:১১, সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২০
 
 
 
 


নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় আবুল বাসার মুন্না নামের আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের তালিকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন এবং শিশু রয়েছে।রোববার রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুন্না মারা যান। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আবুল বাসার মুন্নাসহ এখন পর্যন্ত ২৫ জন মারা গেছে বিস্ফোরণের ঘটনায়। এ ছাড়া আরো যারা চিকিৎসাধীন রয়েছে তাদের অবস্থাও খুবই আশংকাজনক।’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ফতুল্লার তল্লা চামারবাড়ি বাইতুল সালাত জামে মসজিদে ছয়টি এসির বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পর ফায়ার সার্ভিসের ছিটানো পানি জমার পর সেখান থেকে তিতাস গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা গেছে।মসজিদের মেঝের বেশ কয়েকটি স্থান থেকে গ্যাস বের হতে দেখা যায়।ঘটনার পর রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে সংকটাপন্ন ৪০ জনকে ভর্তি করা হয়।এদিকে অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসায় হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। শুক্রবার রাত ১টার দিকে রোগীদের স্বজনদের চাপে বার্ন ইন্সটিটিউটের প্রধান ফটকটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি গফুর মিয়া জানান, এশার নামাজ পড়ার সময় দোতলা মসজিদের ছয়টি এসি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে মসজিদের জানালার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায় এবং মসজিদ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। স্থানীয় লোকজন দ্রুত মসজিদের ইমাম মাওলানা মালেক নেসারী (৬০) ও মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেনসহ (৫০) প্রায় ৪০ জন মুসল্লিকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। এরপর তাদের শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে অনেককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।তিনি আরও বলেন, দগ্ধদের মধ্যে অনেকের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলছে গেছে। আহতদের অনেকের হাত পা কেটে রক্তাক্ত হয়েছে। মসজিদের ফ্লোর রক্তে ভেসে যায়।