Quantcast
  • বুধবার, ৬ কার্তিক ১৪২৭, ২১ অক্টোবর ২০২০

ক্রেতা সংকটে চট্রগ্রামের খামারিরা


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১৭:৪৮, জুলাই ১৮, ২০২০
 
 
 
 


কোরবানির ঈদ সন্নিকটে । দেশের প্রান্তিক চাষিরা অধিক মুনাফার আশায় সারা বছর জুরে পশু পালণ করে ।  কোরবানি ঈদের জন্য সারা দেশের মতো বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের খামারিরাও আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। নগরীর বিভিন্ন খামারে প্রায় ৮ লাখ গরু, ছাগল মজুদ রয়েছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে এতো বিপুলসংখ্যক কোরবানির পশু বিক্রি হবে কিনা এ নিয়ে খামারিরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।এদিকে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট এখনো জমতে শুরু না করলেও স্থানীয় পর্যায়ে অনেক ক্রেতা খামারে যোগাযোগ করে গরু, ছাগল কেনার চেষ্টা করছেন।চট্টগ্রাম জেলার খামারি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকে কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বড় গরু-ছাগলের খামার গড়ে তুলেছেন। তবে এবারের করোনা পরিস্থিতির কারণে কোরবানিতে গরু-ছাগলের চাহিদা কম থাকতে পারে। ফলে তারা এখন ব্যবসায় ক্ষতির আশঙ্কায় ভুগছেন।

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার নাহার এগ্রো গ্রুপের মালিক রকিবুর রহমান টুটুল জানান, তাদের খামারে প্রায় তিনশ গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ৭০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা মূল্যের গরু রয়েছে খামারে। কিন্তু গরুর দাম সেভাবে তিনি পাবেন না বলে মনে করছেন।দেশি-বিদেশি জাতের গরু দিয়ে খামার গড়ে তুলেছেন কালুরঘাট এলাকার আলিফ ইকবাল। সারা এগ্রো নামের এই খামারে দুই শতাধিক দেশি এবং বিদেশি জাতের গরু রয়েছে। আলিফ ইকবাল জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ক্রেতা গরুর হাটে না গিয়ে খামার থেকে গরু কেনায় আগ্রহী হয়েছেন। এখন পর্যন্ত বিক্রি সেভাবে না হলেও কোরবানির কয়েকদিন আগে বিক্রি বাড়বে বলে এই খামারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।চট্টগ্রাম জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা রিয়াজুল হক জানান, জেলায় গরু, ছাগল এবং মহিষের মজুদ রয়েছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার। এই হিসাবের বাইরে এক থেকে দেড় লাখ কোরবানির পশু থাকতে পারে। সব মিলিয়ে আসন্ন কোরবানিতে প্রায় ৮ লাখের বেশি কোরবানির পশু মজুদ রয়েছে চট্টগ্রামে। এর বিপরীতে কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৭ লাখ ৩১ হাজার। করোনা পরিস্থিতিতে এই চাহিদা আরো কমে যেতে পারে