Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪২৮, ২৪ জুন ২০২১

আনন্দ ভাগাভাগির মধ্যে দিয়ে উদযাপিত হোক ঈদ


ইমরুল হাসান বাবু ,স্টাফ রিপোর্টার | আপডেট: ১৬:২৭, মে ১৪, ২০২১
 
 
 
 


আনন্দ ও সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে আবারো হাজির হয়েছে ঈদ । একে অপরের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করবে। সুন্দর দামি বস্ত্র থাকবে পরিধেয়। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি ,ঈদ আমাদের জন্য কী বার্তা নিয়ে আসে? ঈদের সামাজিক-মানবিক উদ্দেশ্য কী? এই দিনে আমাদের কেমন হওয়া উচিত?ঈদ মনকে দেয় আনন্দ। শরীরকে করে তোলে সতেজ। বন্ধুদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ভালোবাসা-প্রীতি। আত্মীয়দের প্রতি তৈরি করে সহানুভূতি। সর্বোপরি মানুষের অন্তরে দয়া-অনুকম্পার বার্তা নিয়ে আসে দিনটি। ঈদের সকালে মানুষ ঈদগাহে মায়া-মমতা নিয়ে সমবেত হয়। ভুলে যায় ভেদাভেদ ও হিংসা-বিদ্বেষ। একে অপরের সঙ্গে হাতে হাত মেলায়। এক কাতারে দাঁড়ায়। সামাজিক এই বন্ধন সুদৃঢ় করাই ঈদের মূল বার্তা।ঈদের সামাজিক উদ্দেশ্যর অন্যতম হলো, সমাজের অসহায়-নিঃস্ব মানুষকে সহযোগিতা করা। প্রতিটি ঘরে আনন্দ ও খুশিকে ছড়িয়ে দেওয়া। তাই শরিয়তে ঈদুল ফিতরের সময় সদকা আদায় করা যেন ঈদের আনন্দে সমাজের সব শ্রেণির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কেউ কোনো মুমিনের পার্থিব কোনো বিপদ-সংকট দূর করলে মহান আল্লাহ তার আখিরাতের সংকট দূর করবেন। মানুষ কারো সহযোগিতা করলে আল্লাহ তারও সহযোগিতা করেন।সমাজে আনন্দ-উৎসাহের দারুণ এক চিত্র ফুটে ওঠে এই দিনে। তাই মুসলিম সমাজে আনন্দ প্রকাশের ক্ষেত্রে যেমন একতা থাকে, ঠিক তেমনি দুঃখ-কষ্টের সময়েও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একতা থাকা চাই। মুসলিম সভ্যতায় নানা দেশের নানা ভাষার মানুষের মধ্যে অভিন্ন চিন্তাধারা সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে ঈদের ভূমিকা অপরিসীম। রাসুল (সা.) পারস্পরিক মমতাবোধ ও সহযোগিতার শিক্ষা দিয়ে বলেছেন, ‘ভালোবাসা ও সহমর্মিতায় মুমিনদের উপমা একটি দেহের মতো। দেহের একটি অঙ্গ ব্যথায় আক্রান্ত হলে পুরো দেহ সজাগ হয়ে ওঠে।