Quantcast
  • শুক্রবার, ২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০

পোশাক খাতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ


সাতকাহন | আপডেট: ২৩:১৯, জুন ১০, ২০২০
 
 
 
 


দেশে তিন মাসে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা যখন ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে, সেখানে শ্রমঘন পোশাক শিল্পে আক্রান্তের সংখ্যা ২৯৯ জন বলে দেখাচ্ছে বিজিএমইএ।

তৈরি পোশাক শিল্পের মালিক সংগঠনের এই তথ্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে শ্রমিক নেতাদের মধ্যে। তারা বলছে, দায় এড়াতে আক্রান্তের সংখ্যা লুকাচ্ছে মালিকরা।দেশে করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের জন্য তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের একটি সিদ্ধান্তকে দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা।সাধারণ ছুটির মধ্যে গত এপ্রিলের শুরুতে হঠাৎ করেই কারখানা চালু রাখার ঘোষণা তারা দিলে শ্রমিকরা দেশ থেকে ঢাকায় যাত্রা শুরু করেন; সমালোচনার মুখে বিজিএমইএ সিদ্ধান্ত বদল করলে ওই শ্রমিকরা আবার ফিরে যায়।

প্রায় দুই মাস ‘লকডাউনের’ পর গত মাসে কল-কারখানা খুললেও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করতে বলা হয়। তবে তার মধ্যেই দেশে সংক্রমণের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে।মঙ্গলবার যোগাযোগ করা হলে বিজিএমইএর জনসংযোগ শাখার চেয়ারম্যান খান মনিরুল আলম শুভ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তার কাছে সর্বশেষ যে তথ্য রয়েছে, তাতে সারাদেশে ২৯৯ জন পোশাক শ্রমিকের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ‍রুবানা হক ৩ জুন পর্যন্ত পোশাক খাতে আক্রান্ত শ্রমিকের সংখ্যা ২৬৪ জন উল্লেখ করে একে বিশাল সংখ্যার (৪০ লাখ) তুলনায় ‘স্বস্তিকর’ বলেছিলেন।

“আসলে পোশাক কারখানা খুললে মহামারী ছড়িয়ে পড়বে বলে যে হারে আশঙ্কা করা হয়েছিল, বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।আক্রান্তের সংখ্যার বিশ্বাসযোগ্যতার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, তারা জেলার সিভিল সার্জনদের কাছ থেকে ‘অত্যন্ত সুচারুরূপে’ কোভিড-১৯ আক্রান্ত পোশাক শ্রমিকদের তথ্য সংগ্রহ করেন। এখানে কারও নাম বাদ পড়ার সুযোগ কম।দেশে তৈরি পোশাক কারখানার বেশিরভাগই ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত; এর বাইরে চট্টগ্রামে আছে বেশ কিছু কারখানা। বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ২০০ এর বেশি।নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তার এলাকায় দেড়শ জন পোশাক শ্রমিকের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশ নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন।

পোশাক শ্রমিকদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা কোন প্রক্রিয়ায় হয় অথবা সন্দেহভাজন কতজন শ্রমিক পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বিজিএমইএর জনসংযোগ কর্মকর্তার কাছে।তিনি বলেন, “বারডেমের সহযোগিতায় চন্দ্রায় যে টেস্টিং ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে, সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে ২০ জনের নমুনা টেস্ট করা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে সেখানে এখনও চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা শুরু হয়নি। বিজিএমইএর কর্মকর্তা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রফিক কোভিড-১৯ এর যাবতীয় চিকিৎসার বিষয়টি বলতে পারবেন।”রফিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিজিএমএইর টেস্টিং ল্যাবে পাঠানোর জন্য ৪৬ জনের একটি তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অচিরেই এই নমুনাগুলো পাঠানো হবে।এর বাইরে পোশাক শ্রমিকরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, শ্রমিকরা সরকারি উদ্যোগে যে পরীক্ষা পদ্ধতি চলছে সেখানে গিয়ে পরীক্ষা করিয়ে থাকেন। বিজিএমইএর পক্ষ থেকে পৃথক কোনো তালিকা পাঠানো হয় না। বিজিএমইএ শুধু আক্রান্তদের তালিকা করে থাকে।তাকে এবিষয়ে আরও প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তিনি এই বিভাগের প্রধান হলেও বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য আরও কমিটি রয়েছে। তারাও দেখছেন।

দেশে তিন মাসে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা যখন ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে, সেখানে শ্রমঘন পোশাক শিল্পে আক্রান্তের সংখ্যা ২৯৯ জন বলে দেখাচ্ছে বিজিএমইএ।

তৈরি পোশাক শিল্পের মালিক সংগঠনের এই তথ্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে শ্রমিক নেতাদের মধ্যে। তারা বলছে, দায় এড়াতে আক্রান্তের সংখ্যা লুকাচ্ছে মালিকরা।দেশে করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের জন্য তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের একটি সিদ্ধান্তকে দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা।সাধারণ ছুটির মধ্যে গত এপ্রিলের শুরুতে হঠাৎ করেই কারখানা চালু রাখার ঘোষণা তারা দিলে শ্রমিকরা দেশ থেকে ঢাকায় যাত্রা শুরু করেন; সমালোচনার মুখে বিজিএমইএ সিদ্ধান্ত বদল করলে ওই শ্রমিকরা আবার ফিরে যায়।

প্রায় দুই মাস ‘লকডাউনের’ পর গত মাসে কল-কারখানা খুললেও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করতে বলা হয়। তবে তার মধ্যেই দেশে সংক্রমণের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে।মঙ্গলবার যোগাযোগ করা হলে বিজিএমইএর জনসংযোগ শাখার চেয়ারম্যান খান মনিরুল আলম শুভ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তার কাছে সর্বশেষ যে তথ্য রয়েছে, তাতে সারাদেশে ২৯৯ জন পোশাক শ্রমিকের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ‍রুবানা হক ৩ জুন পর্যন্ত পোশাক খাতে আক্রান্ত শ্রমিকের সংখ্যা ২৬৪ জন উল্লেখ করে একে বিশাল সংখ্যার (৪০ লাখ) তুলনায় ‘স্বস্তিকর’ বলেছিলেন।

“আসলে পোশাক কারখানা খুললে মহামারী ছড়িয়ে পড়বে বলে যে হারে আশঙ্কা করা হয়েছিল, বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।আক্রান্তের সংখ্যার বিশ্বাসযোগ্যতার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, তারা জেলার সিভিল সার্জনদের কাছ থেকে ‘অত্যন্ত সুচারুরূপে’ কোভিড-১৯ আক্রান্ত পোশাক শ্রমিকদের তথ্য সংগ্রহ করেন। এখানে কারও নাম বাদ পড়ার সুযোগ কম।দেশে তৈরি পোশাক কারখানার বেশিরভাগই ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত; এর বাইরে চট্টগ্রামে আছে বেশ কিছু কারখানা। বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ২০০ এর বেশি।নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তার এলাকায় দেড়শ জন পোশাক শ্রমিকের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশ নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন।

পোশাক শ্রমিকদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা কোন প্রক্রিয়ায় হয় অথবা সন্দেহভাজন কতজন শ্রমিক পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বিজিএমইএর জনসংযোগ কর্মকর্তার কাছে।তিনি বলেন, “বারডেমের সহযোগিতায় চন্দ্রায় যে টেস্টিং ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে, সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে ২০ জনের নমুনা টেস্ট করা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে সেখানে এখনও চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা শুরু হয়নি। বিজিএমইএর কর্মকর্তা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রফিক কোভিড-১৯ এর যাবতীয় চিকিৎসার বিষয়টি বলতে পারবেন।”রফিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিজিএমএইর টেস্টিং ল্যাবে পাঠানোর জন্য ৪৬ জনের একটি তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অচিরেই এই নমুনাগুলো পাঠানো হবে।এর বাইরে পোশাক শ্রমিকরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, শ্রমিকরা সরকারি উদ্যোগে যে পরীক্ষা পদ্ধতি চলছে সেখানে গিয়ে পরীক্ষা করিয়ে থাকেন। বিজিএমইএর পক্ষ থেকে পৃথক কোনো তালিকা পাঠানো হয় না। বিজিএমইএ শুধু আক্রান্তদের তালিকা করে থাকে।তাকে এবিষয়ে আরও প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তিনি এই বিভাগের প্রধান হলেও বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য আরও কমিটি রয়েছে। তারাও দেখছেন।






এই বিভাগের আরো সংবাদ

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত