Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০

স্বাস্থ্যসেবা সচিব ও অধিদপ্তরের ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ২৩:১৫, অগাস্ট ১৮, ২০২০
 
 
 
 



তাদের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে সেই রুলে।সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত এবং সহায়তাকারীর সুরক্ষায় প্রণীত নীতিমালার দুটি অংশে আদালতের পর্যবেক্ষণ যুক্ত করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।এ নির্দেশ পালন না করায় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) আবেদনে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াতের ভার্চুয়াল হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রুল জারি করে।


স্বাস্থ্য সেবা সচিব ও অধিদপ্তরের ডিজিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন রাশনা ইমাম। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ৮ অগাস্ট হাই কোর্ট রায়ে নির্দেশ দিয়েছিল ২০১৮ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের করা এ সংক্রান্ত নীতিমালার দুটি অংশে আদালতের পর্যবেক্ষণ যুক্ত করে নীতিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করতে।রায়ের অনুলিপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু আজ পর্যন্ত তারা এর কিছুই করেনি। যে কারণে ব্লাস্টের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদন করা হয়। আদালত আবেদনটি শুনে রুল জারি করেছেন।”জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও সহায়তাকারী সুরক্ষা প্রদান নীতিমালা-২০১৮’ কোন দুটি অংশে কী পর্যবেক্ষণ যুক্ত করতে বলা হয়েছিল- জানতে চাইলে রাশনা ইমাম বলেন, ৬.১ নীতিমালায় আদালতের সুপারিশ ছিল, জরুরি স্বাস্থ্য বিভাগে জনবলসহ কী কী জিনিস বা সরঞ্জাম থাকা প্রয়োজন, এটির একটি তালিকা তৈরি করতে হবে। ৬.২ নীতিমালায় রোড অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিসের উপরে একটি নির্দেশনা দিতে সুপারিশ করেছিল। আদালত এদুটো বিষয় করতে ছয় মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল।  তাছাড়া ৯.১ নীতিমালায় আদালতের সুপারিশ ছিল, জরুরি শৈল্য চিকিৎসার ক্ষেত্রে কীভাবে দ্রুত সম্মতি নেওয়া যায়। আদালত বলেছিলেন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী এটি সংশোধন করতে।রাশনা বলেন, “পর্যবেক্ষণের বাইরে আদালত তিনটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন রায়ে। নীতিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে গণমাধ্যমে তা প্রচার-প্রকাশ করতে হবে এবং নীতিমালার শুরুতেই ঘোষণা থাকতে হবে যে, এ বিষয়ে কোনো যথাযথ আইন না হওয়া পর্যন্ত নীতিমালাটি আইন হিসেবে গণ্য করতে হবে।