Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪২৮, ২৪ জুন ২০২১

শাহপরীর দ্বীপে নির্মিত হলো ভাসমান সেতু


আনোয়ার হাসান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি | আপডেট: ১৮:২৬, জুন ১০, ২০২১
 
 
 
 


কক্সবাজারের টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ সড়কে খালের উপর নির্মিত হয়েছে একটি ভাসমান সেতু। এতে ১৫ গ্রামের ৪০ হাজার মানুষের যাতায়াত সহজ ও কষ্ট কমেছে। গত কয়েক দিন ধরে ভারি বৃষ্টিতে টেকনাফের নাফ নদী ও উপকূল সড়ক দিয়ে শাহপরীর দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। দ্বীপের মানুষের কষ্ট কমিয়ে আনতে নিজস্ব অর্থয়ানে একটি ভাসমান সেতু নির্মানের উদ্যোগ নেন সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন।এর আগে ২০১২ সালে জুলাই মাসে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে শাহপরীর দ্বীপ সড়কের পাঁচ কিলোমিটার অংশজোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় শাহপরীর দ্বীপের সঙ্গে টেকনাফের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে শাহপরীর দ্বীপ সড়কে ভরাখাল নামক এলাকায় বাশঁ ও ড্রামদিয়ে একটি ভাসমান নিমাণ সেতু দিয়ে লোকজন পারাপার করছে। এর আগে নৌকা দিয়ে চলাচল করতো দ্বীপবাসি। তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেনের নিজস্ব অর্থায়নে ১৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪ ফুট প্রস্ত এ ভাসমান সেতুটি নির্মাণে খরচ হয়েছে দুই লাখ টাকা।

শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হাফেজ উল্লাহ বলেন, বেড়িবাধ ভেঙ্গে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় দীর্ঘ আট বছর ধরে দূর্ভোগ ছিল দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষ। এতদিন নাফ নদী ও উপকূল সড়ক দিয়ে কোন রকম চলাচল করে আসছিল। কিন্তু ভারি বৃষ্টিতে সেসব পথ দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এতে দ্বীপবাসিদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। কিন্তু স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন এর উদ্যোগে নিজস্ব অর্থয়ানে একটি ভাসমান সেতু নির্মাণ হওয়ায় প্রতিদিন এ সেতু দিয়ে শত শত মানুষ যাতায়াত করছে। এতে মানুষের কষ্ট কমেছে কিছুটা। তবে আমরা চায় পুরো সড়কটি যেন দ্রুত কাজ শেষ করে, যাতে দ্বীপবাসি টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সরাসরি যাতায়াত করতে পারে।’

এ বিষয়ে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন কক্সবাজার খবর বিডি'কে বলেন, ‘দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষের কষ্টের কথা চিন্তা করে নিজস্ব অর্থায়নে দুই লাখ টাকা ব্যায়ে একটি ভাসমান সেতু নির্মাণ করা হয়েছ। এই সেতু দিয়ে এখন প্রতিদিন সহস্রাধিক লোক চলাচল করছে। অন্তত বর্ষার দিনে মানুষ চলাচল করতে পারবে। তবে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনর দাবি পূরণে টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপের সড়কটি আগামি৷ বছর জুনে শেষ হবার কথা রয়েছে।