Quantcast
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ কার্তিক ১৪২৭, ২৮ অক্টোবর ২০২০

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মেয়াদ শেষ হচ্ছে শুক্রবার


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ২২:২৬, জুলাই ০২, ২০২০
 
 
 
 



বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে ফজলে কবিরের মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি নিচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।আগামী ৩ জুলাই ফজলে কবিরের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হবে। ওই দিন পর্যন্তই গভর্নর পদে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। এখন বয়সসীমা ৬৭ করে গভর্নর পদে ফজলে কবিরের মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হচ্ছে। সে হিসেবে গভর্নর পদে ফজলে কবিরকে ২০২২ সালের ৩ জুলাই পর্যন্ত দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে সরকার।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে শুক্রবার। দ্বিতীয় মেয়াদে বৃহস্পতিবার ছিল তার শেষ কর্মদিবস। ফলে এই মেয়াদে এদিনই তিনি শেষ অফিস করেছেন।

এদিকে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার সংশোধন করে গভর্নর পদে ফজলে কবিরের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর সিন্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু আইন সংশোধন করতে না পারায় তা কার্যকর করা যাচ্ছে না। এ কারণে আগামী শনিবার থেকে গভর্নরের পদটি শূন্য হয়ে যাচ্ছে।ফলে আগামী শনিবার থেকে নতুন মেয়াদে ফজলে কবিরকে নিয়োগ না দেয়া পর্যন্ত গভর্নরের দায়িত্ব পালন করবেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর-১ এস এম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামাল। তারাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখা থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই বিভাগের উপ-সচিব মো. জেহাদ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ চিঠি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই দুই ডেপুটি গভর্নরের কাছে। চিঠির অনুলিপি গভর্নর ফজলে কবিরের কাছেও পাঠানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের অনুপস্থিতে ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, এ নির্দেশনা পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই ডেপুটি গভর্নর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে গভর্নর তাদেরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন।অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান গভর্নরের প্রতিদিনের ডাক ফাইল দেখবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রেরণ করবেন। ডেপুটি গভর্নররা বর্তমানে যেসব বিভাগ দেখাশুনা করেন তারা সেসব বিভাগের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেবেন। পরবর্তীতে নিয়োগপ্রাপ্ত গভর্নরকে ডেপুটি গভর্নররা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও সিদ্ধান্তসম্পর্কে অবহিত করবেন। প্রয়োজনে এসব বিষয়ে পরবর্তীতে গভর্নরের অনুমোদন নেবেন।