Quantcast
  • রবিবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৭, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

শিরোনাম

এক লাখ রুপিতে নবজাতক বিক্রি,এখন ছেলেকে ফেরত চান মা


সাতকাহন ডেস্ক | আপডেট: ১০:৫৩, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২০
 
 
 
 


হাসপাতালের বিল মেটাতে নবজাতককে বিক্রি করে দিলেন দম্পতি। এমন ঘটনাটা ঘটেছে ভারতের আগ্রায়।ভুক্তভোগী এই ব্যক্তির নাম শিবচরণ, তিনি পেশায় রিকশা চালক। টানাটানির সংসারে সম্প্রতি হানা দেয় করোনাজনিত লকডাউন। এই অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে সন্তানের জন্ম দেন স্ত্রী ববিতা।হাসপাতালে বিল আসে ৩৫ হাজার রুপি। এত টাকা দেওয়ার সাধ্য শিবচরণের নেই। তার দাবি, তখন হাসপাতাল প্রস্তাব দেয়— এক লাখ রুপিতে সাত দিনের ছেলেকে বিক্রি করে দিতে। সেটাই করেছেন তারা।এই দলিত দম্পতির অভিযোগের পর হইচই পড়ে যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এ নিয়ে মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক প্রভু এন সিং। তিনি বলেন, এটা রীতিমতো গুরুতর ঘটনা। তদন্ত হবে। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে।শিবচরণ ও ববিতার পাঁচ সন্তান। তারা শম্ভু নগরে একটা ভাড়া বাড়িতে থাকেন। রিকশা চালিয়ে দিনে একশ টাকার বেশি পান না। তার ১৮ বছর বয়সী বড় ছেলে একটি জুতার কারখানায় কাজ করত। লকডাউনের পর সেই কারখানা বন্ধ হয়ে যায়।

শিবচরণ বলেন, ববিতার গর্ভযন্ত্রণা শুরু হওয়ার পর তারা হাসপাতালে যান। সিজারিয়ান হয়। কিন্তু তাদের কাছে বিল দেওয়ার টাকা ছিল না। তারা কেউ লেখাপড়া জানেন না। তাই যেখানে সই করতে বলা হয়েছে, সেখানে টিপসই দিয়েছেন। কিন্তু হাসপাতাল তাদের কোনো বিল বা কাগজ দেয়নি। এক লাখ রুপিতে ছেলে বিক্রি করে তারা চলে এসেছেন।বলা হচ্ছে, সদ্যোজাত শিশু পেলে কিছু দম্পতি টাকা দিয়ে দত্তক নেন। এখানেও তাই ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য পুরো ঘটনা অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, কেউ জোর করেনি। শিবচরণই বাচ্চাকে স্বেচ্ছায় ফেলে রেখে চলে গেছে। এ নিয়ে হাসপাতাল এবং শিবচরণ-ববিতার মধ্যে লিখিত চুক্তি হয়েছে।ববিতা এখন ছেলে ফেরত চান। তবে গর্ভবতীদের জন্য চলমান সরকারি প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনার পরপর।